বেশ্যা ও নগ্ন পাহারাদার

শহরে কিছু বেওয়ারিশ প্রেমিক দেখা যায়
শিকার খুঁজে মাংস শুঁকে শুঁকে
মাথার উপরে যৌবনা চাঁদ; সেদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই
এরা যৌবন খুঁজে রাস্তায়
নখ-দাঁত কেলিয়ে চুকচুক করে ঠিক যেন লালাযুক্ত কুকুরের জিভ এক
আর শরীরে অচ্ছুৎ লেগে যাওয়ার ভয়ে
মেয়েরা সব ঘরমুখো হয় সন্ধ্যা নামার আগেই
পাছে গণিকা আর প্রেমিকা এক করে ফেলে ক্ষুধার্ত প্রেমিক!
অকস্মাৎ দশহাতি এক দেবী শহরে নেমে এলো
সেই থেকে খৈ ফোঁটা প্রবারণা পূর্ণিমায় নারী যায় জোছনাস্নানে
একা? এই মধ্যরাতে?
বেশ্যা নিশ্চয়ই! বেরিয়ে এসেছে কাজ সেরে
জ্বী হ্যাঁ জনাব, ঠিক শুনেছেন
এই শহর এইসব বেশ্যায় ভরে গেছে
আকাশ থেকে খসে খসে পড়ে আলোর কণা
আর এরা সিনা টান করে ছুটে চলে উত্তর থেকে দক্ষিণ খান।
মাংসের বদলে যাদের বুকে জোছনার ঘ্রাণ থাকে
তারা কখনো অন্ধকারাবৃত হয় না
তারা নারী, তারাই বেশ্যা
তারা অসভ্যতাকে তুড়ি মারে শুদ্ধতার জলে
ওদিকে, বেশ্যা আর নারীর তফাৎ খুঁজতে খুঁজতে
মুখ থুবড়ে পড়ে থাকে একদল নগ্ন পাহারাদার।

বীথি রহমান

Leave a Reply

Your email address will not be published.