কোন এক নন্দীনিকে

বুঁদ হয়ে থাকা বোধ গুলো প্রেম, নাকি সন্তর্পণে উঁকি দেওয়া স্মৃতির রোজনামচা!
পাখিদের সাথে মন পরিযায়ী,
শুকনো শীতের দিন গুলোর প্রলম্বিত ছায়া,
পত্রহীন বৃক্ষের নিছক অপেক্ষা-
উত্তরের বাতাস হিম হয়ে উড়ে আসে,
শুকনো খড়ের ঘ্রাণে মিশে থাকে উত্তাপ,
ফুলকি হয়ে পাখা মেলে ফুরিয়ে যাওয়া৷
জলের অতলে নাড়া দিয়ে যাওয়া মাছেদের রূপোলী পিঠ,
ধ্যানী মাছরাঙা৷
দীর্ঘশ্বাস বুকফুঁড়ে,
বিনিদ্র চোখে চেয়ে দেখা
তারা খসা রাতে জোনাকির আলোক অবগাহন,
চাঁদ উঠে গেছে !
এবার তবে শেষ রাত্তির, পাখা মেলা কাক,
ভোরের পিয়াসী আলোর অবাক উত্তরণে!

(নন্দীনি চিঠিটা কি আজো আছে বুকের ভাঁজে তুলে রাখা! নাকি বিষাদ শ্রাবণে কাগজের নৌকো হয়ে ছিঁড়ে তলিয়ে গেছে, চলতে ,চলতে, চলতে….

-পলাশ পুরকায়স্থ

Leave a Reply

Your email address will not be published.